মাঝে মাঝে রৌদ্রুহীন এই বৃষ্টির বিকেলে
হারিয়ে যাই নিরবতার মাঝে,
অসহায় হয়ে যাই একাকিত্বের ক্লান্তিতে
হতাশার চাদর জড়িয়ে ধরে আমাকে।
বিকেলের পাখিগুলোও
কেমন জানি একাকি হয়ে থাকে
ঠিক যেন স্তব্ধ নদীর মতো।
আচ্ছা!
যদি ঝিরঝির বৃষ্টি থেমে যেয়ে
দমকা হাওয়া বয়ে যেতে থাকতো
তখন কি এমন হতো!
ক্লান্তি, হতাশা সবকিছু মুছে যেতো
একাকি বিকেলটাও তার
সঙ্গী ফিরে পেতো ???
বিকেল ৪:১৬
আগষ্ট ২০১৯ ইং
Ariful Islam Mukim
আমার রেখে দেওয়া আমি তুমি এবং আমরা,,,,,,
Wednesday, August 14, 2019
Tuesday, July 30, 2019
শৈশব
#আমার_শৈশব_গ্রামে
#আমি_গ্রামের_ছেলে_ছিলাম
#আমি_গ্রামের_প্রকৃতিতে_মিশে_ছিলাম
স্পষ্ট মনে পরে আমার শৈশব। আমার ছোট চোখ দুটি যদি হয় অতীতের স্বপ্ন ধরে রাখার দূরবীন, তাহলে আমার ছোট বেলার প্রতিটি মুহূর্ত, প্রতিটি দিন সেই অতীতের স্বপ্ন ধরে রাখা সারি সারি করে সাজানো একেকটা মহা মূল্যবান শো পিস। আমার বুকের ভেতরের শ্বাস-প্রশ্বাসের যন্ত্রটা যদি হয় পৃথিবীর সর্বোচ্চ গুদাম, তাইতো সেখানে সারি বেঁধে সাজানো পণ্যের বস্তার মত আছে আমার ছেলেবেলার সেই সু- মধুর সময় আনন্দঘন মুহূর্ত দিনগুলি।
আমি ভুলতে চাইলেও ভুলতে পারি না। ছোট বেলার সেই দিন গুলি যেন একটা জীবন্ত চিত্র গুলি জীবনের স্মৃতির পাতায় এ্যালবাম হয়ে আমার পেছনে হেঁটে বেড়ায় সর্বক্ষণ। আমাকে মাঝে মাঝে স্মৃতির কাতর করে, টেনে হেঁচড়ে নিয়ে যায় সেই মাটির আঁকা বাঁকা মেঠো পথে, মটরশুঁটির লতায়, হলুদ সরিষা ফুলের ক্ষেতে মাঠ, গ্রামের ছোট ছোট নালা - দীঘির জলে, শাপলা ফোঁটা ঝিলের ধারে; আম গাছের তলায়, জাম গাছের মগ ঢালে, শীতের সকালে কুয়াশা চাঁদরে মোড়া খেজুর গাছের তলে, মাটির কলসে ভরা সেই টাটকা স্বাদের রসের কাছে।
সুনিবিড় শান্তির নীড়, দক্ষিণের খোলা জানালা, সারি সারি সুপারি গাছের সাথে মায়ের নষ্ট হয়ে যাওয়া আঁচলের টুকরো দিয়ে বাধানো দোলনায়, টলমল পুকুরের পানি, আমাকে আজও হাতছানি দিয়ে জাগ্রত করে। ছোট বেলায় ঘন সেই সবুজ প্রাকৃতিক দৃশ্য শ্বাস-নিশ্বাস নিয়ে বড় হয়েছি। এখনকার গ্রামের ইট পাথরের জীবনে যখন হাঁপিয়ে উঠি, বুকের গভীর ভিতরের জমানো হতাশাটা যখন বাতাসে ভাসিয়ে দিয়ে চোখ বন্ধ করে আরামদায়ক খাটে শরীরটা হেলিয়ে নিদ্রায় দেই, তখন আমার চোখের সামনে খেলা করে দিগন্ত বিস্তৃত শস্য-শ্যামল সবুজ খোলা মাঠ, নীল আকাশের মুক্ত তারা, সোনালী ধানের শীষ।
শৈশবের প্রতিটি মুহূর্ত যেখানে একেকটা মহামূল্যবান শো পিস, সেখানে কোনটাই দেওয়া যায় না বারবারই চলে আসে স্মৃতির পাতায়। কোনটাকে নিয়ে স্মৃতিচারণ করি, কোনটাকে নিয়ে স্বপ্নের তুলি দিয়ে ছবি আঁকি। শৈশবের প্রতিটি দিন যেখানে মধুভরা, আনন্দময় ছিলো সেখানে কোন দিনটা বিশেষ ভাবে স্মরণ করি।
শৈশবের প্রতিটি মুহূর্ত সুন্দরী লাস্যময়ী নারীর ভুবন জয় করা হাসির মত, ফুরিয়ে গেলেও হৃদয়ে থেকে যায়। রমণী হারিয়ে গেলেও যেমন হাসির রেশটা থেকে যায় মনের গভীরে ঠিক তেমনি ছোট বেলার দিন গুলি ফেলে এলেও দখল করে নেয় হৃদয়ের সমস্ত জমিনটা।
বর্তমানে গ্রামের জীবনের সাথে খাপ মিলাতে চাই, ততই ফিরে যাই আমার শৈশবের শিকরে। আমার ফেলে আসা শৈশব-কৈশোরের দিনগুলো আমাকে তাড়িত করে মৌলিক জীবনের পথে। আমি ভুলে যাই মেঠো পথ, সতেজ বাতাস, পাখির গান, ফুলে ফুলে প্রজাপতির নাচ।
৩০/০৭/২০১৯ ইং
ময়মনসিংহ
#আমি_গ্রামের_ছেলে_ছিলাম
#আমি_গ্রামের_প্রকৃতিতে_মিশে_ছিলাম
স্পষ্ট মনে পরে আমার শৈশব। আমার ছোট চোখ দুটি যদি হয় অতীতের স্বপ্ন ধরে রাখার দূরবীন, তাহলে আমার ছোট বেলার প্রতিটি মুহূর্ত, প্রতিটি দিন সেই অতীতের স্বপ্ন ধরে রাখা সারি সারি করে সাজানো একেকটা মহা মূল্যবান শো পিস। আমার বুকের ভেতরের শ্বাস-প্রশ্বাসের যন্ত্রটা যদি হয় পৃথিবীর সর্বোচ্চ গুদাম, তাইতো সেখানে সারি বেঁধে সাজানো পণ্যের বস্তার মত আছে আমার ছেলেবেলার সেই সু- মধুর সময় আনন্দঘন মুহূর্ত দিনগুলি।
আমি ভুলতে চাইলেও ভুলতে পারি না। ছোট বেলার সেই দিন গুলি যেন একটা জীবন্ত চিত্র গুলি জীবনের স্মৃতির পাতায় এ্যালবাম হয়ে আমার পেছনে হেঁটে বেড়ায় সর্বক্ষণ। আমাকে মাঝে মাঝে স্মৃতির কাতর করে, টেনে হেঁচড়ে নিয়ে যায় সেই মাটির আঁকা বাঁকা মেঠো পথে, মটরশুঁটির লতায়, হলুদ সরিষা ফুলের ক্ষেতে মাঠ, গ্রামের ছোট ছোট নালা - দীঘির জলে, শাপলা ফোঁটা ঝিলের ধারে; আম গাছের তলায়, জাম গাছের মগ ঢালে, শীতের সকালে কুয়াশা চাঁদরে মোড়া খেজুর গাছের তলে, মাটির কলসে ভরা সেই টাটকা স্বাদের রসের কাছে।
সুনিবিড় শান্তির নীড়, দক্ষিণের খোলা জানালা, সারি সারি সুপারি গাছের সাথে মায়ের নষ্ট হয়ে যাওয়া আঁচলের টুকরো দিয়ে বাধানো দোলনায়, টলমল পুকুরের পানি, আমাকে আজও হাতছানি দিয়ে জাগ্রত করে। ছোট বেলায় ঘন সেই সবুজ প্রাকৃতিক দৃশ্য শ্বাস-নিশ্বাস নিয়ে বড় হয়েছি। এখনকার গ্রামের ইট পাথরের জীবনে যখন হাঁপিয়ে উঠি, বুকের গভীর ভিতরের জমানো হতাশাটা যখন বাতাসে ভাসিয়ে দিয়ে চোখ বন্ধ করে আরামদায়ক খাটে শরীরটা হেলিয়ে নিদ্রায় দেই, তখন আমার চোখের সামনে খেলা করে দিগন্ত বিস্তৃত শস্য-শ্যামল সবুজ খোলা মাঠ, নীল আকাশের মুক্ত তারা, সোনালী ধানের শীষ।
শৈশবের প্রতিটি মুহূর্ত যেখানে একেকটা মহামূল্যবান শো পিস, সেখানে কোনটাই দেওয়া যায় না বারবারই চলে আসে স্মৃতির পাতায়। কোনটাকে নিয়ে স্মৃতিচারণ করি, কোনটাকে নিয়ে স্বপ্নের তুলি দিয়ে ছবি আঁকি। শৈশবের প্রতিটি দিন যেখানে মধুভরা, আনন্দময় ছিলো সেখানে কোন দিনটা বিশেষ ভাবে স্মরণ করি।
শৈশবের প্রতিটি মুহূর্ত সুন্দরী লাস্যময়ী নারীর ভুবন জয় করা হাসির মত, ফুরিয়ে গেলেও হৃদয়ে থেকে যায়। রমণী হারিয়ে গেলেও যেমন হাসির রেশটা থেকে যায় মনের গভীরে ঠিক তেমনি ছোট বেলার দিন গুলি ফেলে এলেও দখল করে নেয় হৃদয়ের সমস্ত জমিনটা।
বর্তমানে গ্রামের জীবনের সাথে খাপ মিলাতে চাই, ততই ফিরে যাই আমার শৈশবের শিকরে। আমার ফেলে আসা শৈশব-কৈশোরের দিনগুলো আমাকে তাড়িত করে মৌলিক জীবনের পথে। আমি ভুলে যাই মেঠো পথ, সতেজ বাতাস, পাখির গান, ফুলে ফুলে প্রজাপতির নাচ।
৩০/০৭/২০১৯ ইং
ময়মনসিংহ
Sunday, July 21, 2019
শিরোনামহীন
তোমাদের কোলাহল ছেড়ে-
বহুদূরে যেতে চাই
নোংরা ধ্বংসস্তুপে পঁচতে চাই না আর!
থাকতে চাই না আর-
এই ধূলোর নগরে,
স্বার্থপর কলুষিত পতঙ্গের মত মানুষের মাঝে!
দূষিত শহর ছেড়ে দূরে চলে যাব
আকাশের পথ ধরে,
যেখানে নক্ষত্ররা মরে যায়
লাশ হয়ে থাকা নক্ষত্রের শহরে!
নিশাচর
০৩/০৭/২০১৯ইং
কাঁঠাল বাগান, ঢাকা
Saturday, July 20, 2019
সম্পর্ক
আমার কাছে সম্পর্ক হলো অস্তিত্বের বাইরের জিনিষ। মানুষ সম্পর্ক গড়ে পৃথিবীতে আসে না। শুধুমাত্র নিজেকে নিয়ে আসে। নানান সম্পর্কের মধ্যে সে নিজেকে আবিস্কার করে। সম্পর্ক তখনই সুন্দর হয় যখন তা আমাদের অস্তিত্বের অলংকার হয়ে উঠে। তখন সেই অলংকার শেকল হয়ে যায়, আর তাকে অলংকার ভাবি আমরা । গলা আটকে যায়। আমরা নুয়ে পড়ি। তবুও পরেই থাকি । আশ্চর্য বোকা জাতি আমরা । সম্পর্ক যখন ভেঙ্গে যায়, প্রাথমিক পর্যায়ে মনে হয় আর সব বারের মতন এবারও ঠিক হয়ে যাবে। সেই ঠিক হয়ে যাওয়াটা অনেক সময় ঠিক নয়। ভেঙ্গে যাওয়াটাই অনেক সময় ঠিক। সেটা আমরা মানতেই পারি না আমাদের মানসিক গঠনের জন্য। আমরা সব কিছু ধরে রাখার পক্ষে। ভুলে যাই, যে একদিন এই দেহ থেকে আমাদের বেরিয়ে যেতে হবে । আমার তো মনে হয় নানান জিনিষ ছেড়ে দেবার ভেতর দিয়েই ধীরে ধীরে তার অভ্যেস করা উচিত। কোন কিছু জোরাজুরি করে আমরা কোনমতে জোড়াতালি দিয়ে টিকিয়ে রাখি কেন? নিজেদের নষ্ট করে কষ্ট দিয়ে আমরা আসলে কি ঠিক রাখতে চাই?
২০/০৭/২০১৯ ইং
ময়মনসিংহ
২০/০৭/২০১৯ ইং
ময়মনসিংহ
Wednesday, July 17, 2019
তুচ্ছ জীবন
#জীবন_এখানে_এমনই
আমার জীবনে কোন বিশেষ দিন নেই।আমার কাছে প্রতিটি দিনই সাধারণ।আমার জন্য প্রতিটি দিন একই বার্তা নিয়ে আসে।সেই একঘেয়ে একাকী জীবন।কখনো কখনো মনে হয় মানুষ না হয়ে ফুল হলে ভালো হতো।একটা দিন অপূর্ব সুবাস ছড়িয়ে মানুষকে মুগ্ধ করে দেওয়া যেতো।তারপর আরেকটা দিনের ভোরের আলো ফোঁটার আগেই হারিয়ে যাওয়া যেতো নীরবে।আমার জীবনে লুকোচুরি খেলতে গিয়ে সময় হারিয়ে যায়, কখনো খুঁজে না পাবার মতো করে।আমার জীবন অভিধানে কোথাও স্বপ্ন নেই।সেখানে একাকীত্ব আর শূণ্যতা ভরপুর।মাঝে মাঝে মনে হয় এমন একটা জীবন হোক,যে জীবন সব পাওয়ার না হোক অন্তত কিছু না হারাবার হোক।আমার এটা বুঝতে বাকি নেই যে,আমার জীবনটা সত্যিই দুঃখ,কষ্টে পূর্ণ একটা গল্প।আমার প্রতিটা মুহূর্ত কাটে দুঃখ,কষ্টে।সত্যিকার অর্থেই আমি আমার জীবণের ভবিষ্যত্ নিয়ে কখনোই ভাবিনা।পৃথিবীর শোক বা আনন্দ কিছুই আমাকে স্পর্শ করে না।আমার মাঝে মাঝে মনে হয়,পৃথিবীটা টুকরো টুকরো হয়ে ফেটে গেছে,যেন যে কোন মুহূর্তে ছাদটা আমার উপর ভেঙে পড়বে।আমি জানি আমি ভীষণ বিষন্ন হতে পারি।আমি খুব uncontrolled অনেক কিছুর ব্যাপারে।আমি কোন কিছু মেপে মেপে করতে পারি না।জুতা কিনতে গেলেও এক সাইজ বড় জুতা কিনে খুশি হয়ে বাসায় চলে আসি।আমি ঘুমে ঢলে পড়তে পড়তে আবার জেগে উঠি অন্য আরেকটা দু:স্বপ্নে।আমি যেমনটা ”যোগ্য” হতে পারতাম কিছুই হইনি। হয়ত আগামীতেও পারবো না।ইচ্ছে থাকলেও পারবো না।কীভাবে কী হতে হয় সেই পথ আমার জানা নেই।আমার কল্পনা গুলো মাঝে মাঝে কথা বলে,আমার সাথে গল্প করে।ইদানিং কিছুই যেন ভালো হচ্ছে না আমার সাথে।একদম কিছুই না।আমার ভীষণ একা লাগে।মনে হয় আমি একটা বিশাল মহাশূণ্যে একটা ছোট্ট ছায়াপথ।পৃথিবীতে আমাকে শোনার জন্য কোথাও কেউ নেই।প্রিয় জিনিসগুলো আর প্রিয় মানুষগুলো সব দূরে সরে যাচ্ছে।এই পৃথিবীর সবার মাঝে একজন হয়ে বেঁচে থাকার খুব ইচ্ছা ছিল আমার।কিন্তু সেই ইচ্ছা হয়ত স্বপ্নই রয়ে যাবে।জীবনে না পাওয়ার তালিকাটা আরও দীর্ঘ হচ্ছে।প্রেমহীন রাতে ভালোবাসাহীন বিছানায় একাকীত্বের গন্ধে পড়ে থাকি অলসতায়।হঠাৎ আমার মনটা আপনাআপনি খারাপ হয়ে যায়।একটা গান শুনতে শুনতে হঠাৎ করেই মনটা বিষণ্ণ হয়ে উঠে।আমি একটা ছোট্ট বাচ্চার মতো একই ফরমুলা দিয়ে সব বড় বড় সমস্যা সমাধান করার চেষ্টা করি। আর ভুল উত্তরের চোরাবালিতে ডুবতে থাকি একা একা।মাঝে মাঝে নিজের ব্যর্থতার কথা মনে করে নিজের উপর খুব রাগ হয়।সবসময় মনে হয় আমি কিছু দুঃস্বপ্ন দেখছি।একদিন ভোরে উঠে দেখবো সবকিছু ঠিকঠাক হয়ে গেছে।সময়টাকে অনেক বড় মনে হয় আর নিজেকে অনেক ক্ষুদ্র।খুব প্রিয় প্রিয় গানগুলোও হঠাৎ করে কেমন যেন বিষণ্ণ হয়ে উঠে।পৃথিবীতে কিছু কিছু মানুষ অনেক ঝড়ঝাপটা পাড়ি দিয়ে নিজের স্বপ্ন পূরণ করে, আবার কিছু কিছু মানুষ আছে যারা ব্যস্ত থাকে প্রিয় মানুষটির স্বপ্ন পূরণে,তারপর এমন একদিন আসে যখন তারা নিজেদের জন্যই স্বপ্ন দেখতে ভুলে যায়।আমি কোনো এক অদ্ভূত শক্তিতে ভর করেই বেঁচে আছি।আমি দিব্যি জানি,বেঁচে থাকতে যেই জীবনীশক্তি,আর স্বপ্ন দরকার, তার শতভাগের একভাগও আমার নাই।মাঝে মাঝে আমার চোখদুটো কোনো এক মন্ত্রবলে বন্ধ হয়ে আসতে চায়।আমি কবে এই দুর্বলতাগুলো কাটিয়ে উঠতে পারবো?এভাবে তো জীবন কাটিয়ে দেয়া যায় না!আমি এখন আমার চোখের সামনে একটা একটা করে স্বপ্ন জ্বলতে দেখি।আমি আজো চিৎকার করে কাঁদি,আমার একাকীত্ব আজো আমাকে তাচ্ছিল্য করে।নিজেকে অনেক ক্লান্ত মনে হয়।মনে হয় জীবনের কাছে বিধ্বস্ত এক পরাজিত সৈনিক।নিজেকে নিজে মিথ্যে আশ্বাস দেই, “একদিন সব ঠিক হয়ে যাবে।হঠাৎ কোনো একদিন একটা ম্যাজিক হবে।”কখনো কখনো মনে হয়,যা কিছুকে আমি সুখ ভাবতাম তার সবকিছু ওই সময়টায় দাঁড়িয়ে আছে যেই সময়টায় আমি আর কখনো ফিরে যেতে পারবো না।অনেকদিন প্রিয় শহরটাকে দেখি না। বন্ধুদের সাথে জমিয়ে আড্ডা দিতে পারি না।ইদানিং সময়টা অনেক অনেক দীর্ঘ মনে হচ্ছে।আমার মতো হয়ত কেউ নেই যারা অনিচ্ছা সত্ত্বেও নিজেদের প্রিয় শহর আর প্রিয় মানুষদের ছেড়ে অনেক দূরে থাকে।কখনও কখনও মধ্যরাতে যখন পুরা শহর ঘুমিয়ে পড়ে, তখন আমার মনে হয় কেউ একজন আলোটা জ্বালিয়ে দিক। ঘুমন্ত শহরটা আরেকবার জেগে উঠুক আমার মতো করে।এই ছোট্ট জীবনে নিজের কষ্টের বোঝাগুলো আমি আর বইতে পারছি না।দুঃখ, শোক সব নাকি সময়ের সাথে সাথে মিলিয়ে যায়। সময় নাকি সব ক্ষত পূরণ করে দেয়। তা সত্যি বুঝতে পারিনি।
০৫/০৭/২০১৯ইং
মানিক মিয়া এভিনিউ, ঢাকা
Tuesday, May 28, 2019
#আজ_বাবা_মার_২৫তম_বিবাহ_বার্ষিকী
জীবনের সাথে সময়ের চাকা ঘুরে আজ ২৫ বছরে হলো।
সময়ের ধোঁকা বাজি খেলায় কখন যে ২৫ বছর পার হল তা বাবা-মা কারো চোখে পড়ে নাই। ঠিক একই দিনে এবং ২৫ বছর পূর্বে অথ্যাৎ ২৮ ই মে ১৯৯৪ সালে আমার বাবা - মার শুভ বিবাহ সম্পন্ন হয়। অতঃপর তাঁদের সংসার জীবনে ১ বছর পর আমার বড় বোন এবং ৭ বছর পর আমার জন্ম । এরই মাঝে সন্তান লালন-পালন, সংসার পরিচালনা এবং চাকুরির মধ্য দিয়ে কেটে গেল প্রায় তাঁদের জীবনের অনেকটি সময়। তবুও জীবন থেমে নেই চলছে তার নিয়মিত ধারায়। সংসার যুদ্ধের ধারাবহিকতায় আজ ২৫ বছরে পদর্পন। তাই এই দিনে তাঁদের জীবনের শুভ কামনায় আমি আপনাদের নিকট দোয়া প্রার্থী। যেন তাদের সন্তান দ্বারা বাকি ভবিষ্যৎ জীবন সুন্দর হয়।
বাবা চাকরির সুবাদে সর্বদা ব্যস্ত থাকেন। আমি ভেবেছি এবার বাবা-মার বিবাহ বার্ষিকীতে কিছু দিতে না পারি অন্তত অভিনন্দনটা জানাবো। যদিও সব বিশেষ দিন গুলতে অভিনন্দন জানিয়ে থাকি কিন্তু যে দিনের কারনে আজ আমি কারো সন্তান আর আমি যদি সে দিনটাকেই প্রতি বছর ভুলে যায়, অভিনন্দন জানাতে না পারি তাহলে নিজের কাছেই খারাপ লাগে। আসলে যখন মনে পরে তখন অনেক দেরি হয়ে যায়, তাই এবার যে ভাবেই হোক অভিনন্দন জানাবোই। কিন্তু এবারো হলো নাহ বাবা এতেকাফে আছেন।
আসলে তাদের বিবাহ বার্ষিকী। আমি ভাবলাম তাদের একা থাকতে দেওয়া উচিৎ, কিন্তু অভিনন্দন তো তাকে জানাতেই হবে, কারন আমি জানি অভিদন্দন জানালে অল্প সময়ের জন্য হলেও বাবা-মা খুব খুশি হবেন। তার পর ঝট করে সে একটা এস এম এস লিখে ফেল্লাম “Happy Marriage Day Of Abbu Ammu” আমি মনে মনে বললাম এটাতে হয়তো তাদের অসুবিধা হবে না, তার পর এস এম এস টা পাঠিয়ে দিলাম।
আজ আমার বাবা-মার ২৫ তম বিবাহ বার্ষিকী। সবাই তাদের জন্য দোয়া করবেন তারা যেন দীর্ঘজীবী হন এবং আমার নাতি নাতনির বিয়ে পর্যন্ত দেখে যেতে পারেন যদিও এখনো আমার বিয়েই হয়নি। আর তাদের মৃত্যু যেন কখনই আমার দেখতে না হয়, আমি যেন তাদের ১ দিন আগে হলেও পৃথিবী ত্যাগ করতে পারি ও পরকালে তাদের অভিনন্দন জানানোর জন্য অপেক্ষা করতে পারি।
Friday, May 24, 2019
আমার জন্মদিনে আমার কথা
#আমি_এবং_আমি
গত ২৩ মে থেকে আজ পর্যন্ত আরো একটি বছর বেঁচে থাকলাম এই পৃথিবীতে। এই সুজলা সুফলা সুন্দর পৃথিবী আমাকে আরো একটি বছর উপভোগ করার সুযোগ দিয়েছিলো । আমি তাকে( মহান প্রভু)কে কি দিলাম সে কথা নিতান্তই অবান্তর। মহান প্রভুর কাছে অশেষ শুকরিয়া। জীবনে অনেক সুন্দর সময় পার করেছি। এই জন্মদিনে আমার মনে হচ্ছে গোধূলির দিকে আরো এক কদম এগিয়ে গেলাম আমি। আসলে এই গোধূলি বেলার দিকে তাকিয়ে থাকতে আমার খুউব ভালো লাগে । মনে হয় তার সাথে অজানা কোন সম্পর্ক আছে,,,,,,,
#ছোট্টবেলার_অনুভূতি
সত্যি বলতে!
ছোটবেলার জন্মদিনের কথা ভুলতে পারি না! সকালে ঘুম থেকে উঠেই কেমন যেন একটা আলাদা অনুভূতি হতে থাকতো সারাক্ষন। এই দিনটাকে শুধুই আমার মনে হতো। যতো ফুল ফুটেছে সেদিন এই পৃথিবীতে সব যেন আমার জন্য, যতো শিশু হেসেছে সেও আমার জন্য। ঐ নীল আকাশ আমার ঐ দখিনা হাওয়া আমার। মনে হতে থাকতো আজ এই পৃথিবীর পাখিরা অন্য সুরে গাইছে, আজ ঐ সূর্য আমার পানে চাইছে। মনে হতো পৃথিবীতে সাংঘাতিক একটা উলট পালট কিছু হয়ে যাবে।
#আর_এখনকার_আমি
এখন ভাবি!
ছোট সময় পড়তে গিয়ে জীবনটাকে যেভাবে কল্পনা করেছি আর আজকে যে জীবন আমি যাপন করে যাচ্ছি তার কোথাও কি কোথাও কোন মিল আছে ? বিষয়টা নিয়ে খুউব চিন্তা করি! চিন্তা শেষে উত্তরটাও পেয়ে যাই।
আসলে!
জীবনকে নিয়ে কে না স্বপ্ন দেখে ! সবার মতো স্বপ্ন আমিও দেখেছি আর তাই সে স্বপ্ন পূরণ করতে এই কঠিন বাস্তবতার সামনে আমি, জীবনকে প্রতিষ্ঠিত করার জন্য এমন ত্যাগ সবাই শিকার করে! যদি স্বপ্নের পিছনে না ঘুরি তাহলে আমি মানুষ কেন ? আজ মানুষ বলেই তো স্বপ্নের পিছু দৌড়াতে থাকি,,,,,
শাহনাজ রহমতুল্লাহ তার কিন্নর কন্ঠে গেয়ে ছিলেন,,,,,
“স্বপ্ন সেতো স্বপ্নই নয়,
যদি না কিছু তার সত্যি হয়”
এখন মাঝে মধ্যে মনে হয় তাহলে কি সেগুলো স্বপ্ন ছিল না আদৌ ? জীবনটাকে যতোই মুঠোই ভরতে চেয়েছি, ততোই সেটা মুঠো থেকে পিছলে গেছে
আজকাল জন্মদিন তেমন কোন বিশেষ অনুভূতি আর উচ্ছাস নিয়ে আসে না। তেমন কোন আলাদা চমক নেই, অবাক করে দেয়ার জন্য কেউ এসে কড়া নাড়বে না, অনেকদিন ধরে চেয়ে আসছি কিছু মানুষ জন্মদিনের শুভেচ্ছাস্বরূপ উপহার দিবে কিন্তু কেউ দেয় নাহ। যখন যা মনে চায় কিনে নেই। মনে হয় চাওয়ার জন্যেও কেউ নেই, দেওয়ার আই মিন নেওয়ার আছে অনেকেই। এই বিষয়ের নিয়মে অবাক হওয়ার মতো কিছুই নেই। ফেসবুক , মেইল, এস এম এস আর ফোনতো আছেই। তারপর ভালো কোন রেষ্টুরেন্টে খাও আর ঘুমাও, জন্মদিন শেষ, আবার সামনের বছরের জন্য তৈরি হই
#কিন্তু!
একটা কথা ! আমি মানুষের থেকে যেটা চাই সেটা হলো একটা চিঠি অথবা চিরকুট। আমাকে দেওয়ার মতো কি কোন চিঠি নেই ? তাহলে কেনো এই নোট লিখছি আজ ? আসলে মেইলে, ফেইসবুক, মেসেজে এত্তো এত্তো ই-কার্ড ফ্রী পাঠানোর সুযোগ থাকা সত্বেও অনেকে যখন হাতে লিখে ডাক / কুরিয়ার করে কার্ড পাঠায় তখন মনে হয় আসলে কি আমি এই ভালোবাসার যোগ্য ? বিষয়টা খুউব ভালো লাগে,,,
ভালোবাসার আরো কিছু মানুষ আছে তারা আমার জন্মদাতা বাবা-মা সাথে আমার পাঁচ বছরের বড় আমার বড় আপু। এই বড় আপুর কাছ থেকে আমি অনেক শুভাকাংখীময় ভালোবাসা পেয়েছি, যার যোগ্যও আমি না। আল্লাহ তোমাদোর নেক হায়াত দান করুক। তাদের অযাচিত ভালোবাসা আর চোখ ভিজিয়ে দেয়ার মতো মমতা পেয়েছি! জীবনে এটা কি কম পাওয়া ???
মুক্তাগাছা ময়মনসিংহ
২৩/০৫/২০১৯ ইং
রাত ১২:০১
Subscribe to:
Posts (Atom)
কোন এক বিকেল
মাঝে মাঝে রৌদ্রুহীন এই বৃষ্টির বিকেলে হারিয়ে যাই নিরবতার মাঝে, অসহায় হয়ে যাই একাকিত্বের ক্লান্তিতে হতাশার চাদর জড়িয়ে ধরে আমাকে। বিকেলের...
-
আবার ভালবাসা খালাতো বোনের বিয়ে ঠিক হয়েছে। বাসার সবার এক দাবি বিয়ের অন্তত ৩ দিন আগে আমার বিয়ে বাড়ি উপস্থিত থাকতে হবে। অনেক বোঝালা...
-
বেঁচে থাকুক ভালোবাসা তানিয়ার সাথে আমার বিয়ে বেশ কিছুদিন হল। তানিয়ার আচার-আচরণে আমি খুবই মুগ্ধ! ভালো ঘরের একটা মেয়ে সে,পরিবারের পছন্দেই...
-
নিজেকে খুব স্বার্থপর মনে হচ্ছে। তোমার ইচ্ছার বিরুদ্ধে , তোমাকে ভালবাসছি না তো ? আমাকে ভালবাসতে তোমাকে বাধ্য করছি না তো ??? কেন এমন হয় ? ...


