প্রিয়
সর্ব প্রথম লিখছিলাম তোমার ঠিকানায়। এর আগে যা লিখেছিলাম তা আমার ঠিকানায় রয়ে যাইনি, ছড়িয়ে দিয়েছি ফেইসবুকের গ্রুপ গুলোতে। এরপর তুমি পেয়েছো কি পাওনি তা আমি জানতে পারিনি। হয়তো পাওনি! জানতেও চাওনি, জানতে চাইবেই বা কেন, আমি বুঝি আমার ভালবাসার ভাষা তোমার দৃষ্টিগোচর না হলেও, হৃদয়গোচর যে হয় সে বিষয়ে আমি নিশ্চিত। আর তার অন্যতম কারণ মিটমিটিয়ে লুকিয়ে লুকিয়ে দেখা গুলো হচ্ছে বাস্তব প্রমাণ। আমি এখন তোমার সাথে এতোটা কথা বলি নাহ। তুমি নিজেই এসে যা তা বলে চলে যাও আর আমি শুনে যাই ।
মায়াবতী জানো,
সত্যিকারের প্রেমিকরা বোকা হয়, কখনো প্রতারক হয়না। মানুষ প্রতারনার সূত্র জানে, পুরুষ জানে কঠোরতার ধরন। আর শুদ্ধ প্রেমিকগুলো শুধু প্রেম করতে জানে! তারা প্রেমিকাকে দেখেনা, তার প্রেমকে দেখে। সারারাত পড়াশোনা-নাওয়া খাওয়া ফেলে কুটুর-কুটুর প্রেম কাব্য লিখে। প্রেমে পড়লে তারা এতো বোকা হয়ে যায় যে নিজেকে অচেনা লাগে।
আর অতি সৌভাগ্যবান প্রেমিকগুলো কি করে জানো?
তারা হুডখোলা রিকশায় শহরময় চষে বেড়ায়, প্রেমিকার মুখে একচিলতে হাসি দেখার আশায় বিশ্ব সংসার তন্ন-তন্ন করে খুঁজে আনে ১০৮টা নীল পদ্ম। রাত জেগে তারাও প্রেমিকার ঠোঁটে প্রেমের লাল গোলাপ ফোটায়, চুলের বনে ছড়িয়ে দেয় হাসনাহেনার ঘ্রাণ। মাতাল প্রেমিকগুলো একেকটা দীর্ঘ রাত পার করে প্রেমিকার চোখের ভাঁজের চড়ুই-ভাতীর স্বপ্নে…
ওগো মায়াবতী,
আমি অসহায় বোকা প্রেমিক এক, আমারও যে খুব সৌভাগ্যবান সাহসী প্রেমিক হতে ইচ্ছে করে!
রাত
০১:১৩
২৮/০৪;২০১৯ ইং
ময়মনসিংহ
Saturday, April 27, 2019
Sunday, April 14, 2019
হয়তো প্রেমে পরেছি
নিজেকে খুব স্বার্থপর মনে হচ্ছে।
তোমার ইচ্ছার বিরুদ্ধে , তোমাকে ভালবাসছি না তো ?
আমাকে ভালবাসতে তোমাকে বাধ্য করছি না তো ???
কেন এমন হয় ?
এতো ভালোবাসা কিভাবে কর্পূরের মতো উবে যায় ?
সেটা কি আসলেই আদৌ ভালোবাসা ছিল ?
আমার ভালোবাসা তো অপরিবর্তনীয় , কি করবো আমি ?
খুব বেশী ভালবাসি যে তোমায় !!!
রাত ১১ঃ৩৬
মুক্তাগাছা
Saturday, April 13, 2019
ইসলামের দৃষ্টিতে পয়লা বৈশাখ
প্রতি বছরই বাংলায় ঘরে ঘরে না হবে রাস্তায় রাস্তায় আসে পয়লা বৈশাখ তথা বাংলা নববর্ষ। এ দিনটি বিশেষ উৎসব হিসেবে বাংলাদেশ ও ভারতের পশ্চিমবঙ্গসহ পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে বসবাসকারী বাংলাভাষীদের কাছে নববর্ষ হিসেবে পালিত হয়। নববর্ষ, বর্ষবরণ, পয়লা বৈশাখ- এ শব্দগুলো বাংলা নতুন বছরের আগমন উপলক্ষে আয়োজিত উৎসব-অনুষ্ঠানাদিকে ইঙ্গিত করে। কিছু ব্যক্তি আনন্দ উৎসবের নামে অনৈতিক কিছু কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে এ দিনটিকে কলুষিত করছে। যা ইসলাম এবং সামাজিক দৃষ্টিকোণ থেকে চরম অন্যায় হিসেবে বিবেচিত।
ইসলাম হচ্ছে শান্তির ধর্ম। ইসলামের জীবনকে পরকালীন জীবনের শস্যক্ষেত্র হিসেবে বলা হয়েছে। ইসলাম আনন্দ উৎসব উদযাপন করার অনুমতি দিয়েছে, কিন্তু তার সীমারেখা রয়েছে। ইসলাম শান্তির কথা বলেছে, তার পাশে অশান্তি সৃষ্টি করা থেকে বিরত থাকতে বলেছে। ইসলাম শালীনতার কথা বলেছে, কিন্তু তার পাশে অশালীনতা থেকে বিরত থাকতে বলেছে। এক কথায় ইসলাম মানুষের অকল্যাণ হয় এমন প্রতিটি কাজ থেকেই বিরত থাকতে বলেছে।
বাংলাদেশে প্রতি বছরই খুব ধুমধামে পয়লা বৈশাখ উদযাপিত হচ্ছে। পরিতাপের বিষয় হচ্ছে, নববর্ষের উৎসব উদযাপনের এই দিনে ইসলামী রীতি উপেক্ষা করে নামধারী কিছু মুসলিম বিজাতীয় অপসংস্কৃতির অনুসরণ করে । তারা পোশাক পরিধান, বিয়ের মিথ্যা সাজে দম্পত্তি সাজিয়ে বর-কনের শোভাযাত্রা, বিভিন্ন বাঘ পেচা, পাখি মূর্তির প্রদর্শনী, উল্কি আঁকা, মঙ্গল শোভাযাত্রার মাধ্যমে পয়লা বৈশাখ উদযাপন করছে। নববর্ষ উদযাপনে তাদের আনন্দ ফুর্তি ক্রমেই যেন সীমা অতিক্রম করে যাচ্ছে।
নববর্ষ উদযাপনকারী অনেকেই দিবসটিকে কল্যাণ ও নতুন জীবনের প্রতীক বলে মনে করে থাকেন। তাদের ধারণা নতুন বছর কল্যাণ বয়ে আনে, দূর করে যাবতীয় পুরনো কষ্ট ও ব্যর্থতার গ্লানি এ ধরনের কোনো তত্ত্ব ইসলাম আদৌ সমর্থন করে না। মূলত নতুন বছরের সাথে কল্যাণ শুভাগমনের ধারণা আদিযুগের প্রকৃতি পূজারী মানুষের কুসংস্কারচ্ছন্ন ধ্যান-ধারণারই বহিঃপ্রকাশ। ইসলামে এ ধরনের কুসংস্কারের কোনো স্থান নেই।
কেউ যদি এই ধারণা পোষণ করেন যে, নববর্ষের প্রারম্ভের সাথে কল্যাণের কোনো সম্পর্ক রয়েছে, তবে সে শিরকে লিপ্ত হলো, অর্থাৎ আল্লাহর সাথে অংশীদার স্থাপন করল। কেননা কল্যাণ-অকল্যাণ মহান আল্লাহর পক্ষ থেকেই এসে থাকে
১৩/০৪/২০১৯ ইং
ময়মনসিংহ
Friday, April 12, 2019
তোমাকে
আমি জানি
তোমাকে ভালোবাসার কথা বলে কোন লাভ নেই। তবুও বলতে ইচ্ছে হয় , হয়তো প্রেমে পরে গিয়েছি। আজকাল প্রেমে পরাটা স্বাভাবিক তার মধ্যে প্রেমের বয়স চলছে। তোমার লজ্জাবতী মায়া মুখ, মনকাড়া চাহনি চোখ না সরানোর মতো চুল গুলো আমাকে যেন প্রেমিক বানিয়ে ছেড়েছে। এখন মনে হচ্ছে এ যেন তোমায় ভালোবেসে যাওয়ার এক অসীম অনুপ্রেরণা।। তাই তো বছরের পর বছর, সহস্রাব্দের পর সহস্রাব্দ তোমায় ভালোবেসে যেতে ইচ্ছে করছে এখনো প্রথমে ছবিতে দেখেই চোখজোড়া মুহূর্তেই চষে ফেলি তোমার অট্টালিকার প্রতিটা কোণ, আর তাতেই লিখেছিলাম কবিতা দেখিয়ে ছিলাম তোমাকে আর বারবার এক নজর দেখার অভিপ্রায় নিয়ে সবসময় অপেক্ষায় থাকি। জানি এই সামান্য দেখাতে কিবা আসে যায় তবুও কেন জানি দেখার ইচ্ছে নিয়ে বসে থাকি । কিন্তু ভালোবাসার কাঙাল হৃদয় আর অতৃপ্ত এই দুচোখ তোমার সামান্য দর্শনেই খুঁজে পায় সাগরসম তৃষ্ণা নিবারণের উপকরণের মতো।
কি নিস্পাপ তোমার ঐ চাহনি!!! কি তীক্ষ্ণ তোমার দৃষ্টি!!! কি দেখেছিলাম ঐ মুখে জানি না; শুধু জানি সেইদিন থেকে, সেই মুহূর্ত থেকে আমার জীর্ণ দেহের স্বপ্নীল হৃদয়ের ঠিক মাঝখানটায় তোমার আসন স্থায়ী হয়ে গেছে। তোমার মনে হচ্ছে আমি পাগলামি করছি এমন ধারণা করাটাও স্বাভাবিক। সত্যিই পাগলামি এটা তোমার পাগলামি মনে হলে পাগল বল উড়িয়ে দিও তবে জেনে রেখো আমি সত্যিই প্রেমে পরেছি তোমার। সেদিন তোমার বিষণ্ণ মুখের পানে চেয়ে আমার শিরধারা বেয়ে মুহূর্তেই খেলে গিয়েছিলো বিদ্যুৎ তরঙ্গ, হৃদয়ের কোথায় যেন খানিকটা রক্ত ক্ষরণেরও আভাস পেয়েছিলাম। তারপর থেকে প্রতিটা সকাল, প্রতিটা দুপুর, প্রতিটা রাত, প্রতিটা মুহূর্ত কেটেছে অজানা-অচেনা ভালোবাসার পরিণতিহীন তপস্যায়। মাঝে মাঝে স্রস্টার প্রতি বিষিয়ে উঠত মন; কেনইবা দিলে আমাকে এমন আত্মসম্মানহীন অপারগ জীবন যেখানে অজস্র অপূর্ণতা, যেখানে প্রত্যাশা আর প্রাপ্তির সমীকরণ মেলাতে আমি বারংবার ব্যর্থ। পরক্ষণই মনে হতো এমনটি না হলে হয়ত তোমার সাথে কখনই কথা হতো না আমার; অনুভূতির জগৎ থাকত ভালোবাসাহীন, অন্তঃসাড়।
এখন!!!
আমি এক জীবনী শক্তিহীন জীব কিংবা জড়…। অসীমের পানে চেয়ে আছি শেষ বিকেলের মেয়ের দেখা পাব বলে… ধূসর মেঘ হয়ে ভেসে বেড়াচ্ছি নীলাকাশের নিঃসীম নিরালায়, অঝোর বৃষ্টি হয়ে ঝরব বলে…।
১১/০৪/২০১৯ ইং
মুক্তাগাছা ময়মনসিংহ
তোমাকে ভালোবাসার কথা বলে কোন লাভ নেই। তবুও বলতে ইচ্ছে হয় , হয়তো প্রেমে পরে গিয়েছি। আজকাল প্রেমে পরাটা স্বাভাবিক তার মধ্যে প্রেমের বয়স চলছে। তোমার লজ্জাবতী মায়া মুখ, মনকাড়া চাহনি চোখ না সরানোর মতো চুল গুলো আমাকে যেন প্রেমিক বানিয়ে ছেড়েছে। এখন মনে হচ্ছে এ যেন তোমায় ভালোবেসে যাওয়ার এক অসীম অনুপ্রেরণা।। তাই তো বছরের পর বছর, সহস্রাব্দের পর সহস্রাব্দ তোমায় ভালোবেসে যেতে ইচ্ছে করছে এখনো প্রথমে ছবিতে দেখেই চোখজোড়া মুহূর্তেই চষে ফেলি তোমার অট্টালিকার প্রতিটা কোণ, আর তাতেই লিখেছিলাম কবিতা দেখিয়ে ছিলাম তোমাকে আর বারবার এক নজর দেখার অভিপ্রায় নিয়ে সবসময় অপেক্ষায় থাকি। জানি এই সামান্য দেখাতে কিবা আসে যায় তবুও কেন জানি দেখার ইচ্ছে নিয়ে বসে থাকি । কিন্তু ভালোবাসার কাঙাল হৃদয় আর অতৃপ্ত এই দুচোখ তোমার সামান্য দর্শনেই খুঁজে পায় সাগরসম তৃষ্ণা নিবারণের উপকরণের মতো।
কি নিস্পাপ তোমার ঐ চাহনি!!! কি তীক্ষ্ণ তোমার দৃষ্টি!!! কি দেখেছিলাম ঐ মুখে জানি না; শুধু জানি সেইদিন থেকে, সেই মুহূর্ত থেকে আমার জীর্ণ দেহের স্বপ্নীল হৃদয়ের ঠিক মাঝখানটায় তোমার আসন স্থায়ী হয়ে গেছে। তোমার মনে হচ্ছে আমি পাগলামি করছি এমন ধারণা করাটাও স্বাভাবিক। সত্যিই পাগলামি এটা তোমার পাগলামি মনে হলে পাগল বল উড়িয়ে দিও তবে জেনে রেখো আমি সত্যিই প্রেমে পরেছি তোমার। সেদিন তোমার বিষণ্ণ মুখের পানে চেয়ে আমার শিরধারা বেয়ে মুহূর্তেই খেলে গিয়েছিলো বিদ্যুৎ তরঙ্গ, হৃদয়ের কোথায় যেন খানিকটা রক্ত ক্ষরণেরও আভাস পেয়েছিলাম। তারপর থেকে প্রতিটা সকাল, প্রতিটা দুপুর, প্রতিটা রাত, প্রতিটা মুহূর্ত কেটেছে অজানা-অচেনা ভালোবাসার পরিণতিহীন তপস্যায়। মাঝে মাঝে স্রস্টার প্রতি বিষিয়ে উঠত মন; কেনইবা দিলে আমাকে এমন আত্মসম্মানহীন অপারগ জীবন যেখানে অজস্র অপূর্ণতা, যেখানে প্রত্যাশা আর প্রাপ্তির সমীকরণ মেলাতে আমি বারংবার ব্যর্থ। পরক্ষণই মনে হতো এমনটি না হলে হয়ত তোমার সাথে কখনই কথা হতো না আমার; অনুভূতির জগৎ থাকত ভালোবাসাহীন, অন্তঃসাড়।
এখন!!!
আমি এক জীবনী শক্তিহীন জীব কিংবা জড়…। অসীমের পানে চেয়ে আছি শেষ বিকেলের মেয়ের দেখা পাব বলে… ধূসর মেঘ হয়ে ভেসে বেড়াচ্ছি নীলাকাশের নিঃসীম নিরালায়, অঝোর বৃষ্টি হয়ে ঝরব বলে…।
১১/০৪/২০১৯ ইং
মুক্তাগাছা ময়মনসিংহ
মানুশ
এই শীতের কুয়াশার চাদরে মাখামাখি বিকবিক শরীর
রুগ্নতায় ভেসে উঠেছে বুকের প্রতিটি অঙ্গ পতঙ্গ,
পাজরের হাড় গুনে হাতেখড়ির হতে পারে সাধারণ মানব সমাজের মতোই ওদেরটাও।কিন্তু চোখের অগোচরে চোখ রেখে অমানবিক সময় যাচ্ছে তাদের। তাই হয়তো তারা অবহেলিত, লাঞ্চিত, শোষিত। পথের ধূলোয় মাখিয়ে শরীর হেলান দিয়ে আছে সারাদিন অার সারারাত এই ফুটপাতে।ক্ষুধার্ত শরীর দেখে মনে হচ্ছে আকাশের উজ্জ্বল চাঁদটি যেন কাফন শাদা সন্দেশ।
কফি হাউস
৬.৪৭
১২/১২/১৮ইং
Wednesday, April 10, 2019
কেন তুমিই❓❓❓
#ভাবনায়_তুমি_এসে_পরে_কেন ❓
ভালো লাগলেই ভালোবাসতে হবে ? কারণ ছাড়া অযথা কথা বলতে হবে ? এমন কোন রীতি- নীতি মানব সভ্যতায় নেই। মানুষের ভালো লাগা গুলো খুবই রহস্যময়, কিছু কিছু মানুষ এই রহস্যময় ভালো লাগার মায়ার জালে স্বয়ংক্রিয় ভাবে আটকে যায়, আমিও তেমন আটকে গেছি। হাজার চেষ্টা করেও এর থেকে বেরিয়ে আসতে পারছি না। এই রহস্যময় জগতে এখনো আমি বয়সে তরুণ, কয়েকদিন আগেই কৈশোরত্তীর্ণ হলাম। মন থেকে এখন ও সেটার পাদুর্ভাব যায় নি, তাই নিজের ভিতর আবেগ গুলো খুব বেশি পরিমাণে উপচিয়ে পড়তে চায়। এ জন্যে মাঝে মাঝে আকাশ মনে করি নিজেকে। কেন আকাশ মনে করি কারণ বলতে পারবো না! অসম্ভব কে সম্ভব ভেবে এক ধরনের রহস্যময় অসম্পূর্ণ ভালো লাগা বোধ অনুভব করি, আবার পরক্ষনে খুব খারাপ লাগে কারণ তা অসম্পূর্ণ ও অবাস্তব। এই সব ভাবনা গুলো এত বেশী আবেগ তাড়িত যা আমাকে সব নিয়ম নীতির ঊর্ধ্বে নিয়ে যায়। নিজের ভিতর অদ্ভুত এক অদৃশ্য সুখ অনুভব করি। তবে এর ব্যাপ্তি ক্ষণস্থায়ী হয়। যখন এই ঘোর কেটে যায় তখন বোধোদয় হয়, সব কিছুই অর্থহীন, অযৌক্তিক ও অযাচিত । কিন্তু এতসব কিছুর পরেও নিজের ভিতর শূন্যতা গুলো বারবার ডেকে আনে ঐসব অসম্পূর্ণ অনুভূতি গুলো।
রাত ১২ঃ ৩৭
০৯/০৪/২০১৯ ইং
মুক্তাগাছা ময়মনসিংহ
ভালো লাগলেই ভালোবাসতে হবে ? কারণ ছাড়া অযথা কথা বলতে হবে ? এমন কোন রীতি- নীতি মানব সভ্যতায় নেই। মানুষের ভালো লাগা গুলো খুবই রহস্যময়, কিছু কিছু মানুষ এই রহস্যময় ভালো লাগার মায়ার জালে স্বয়ংক্রিয় ভাবে আটকে যায়, আমিও তেমন আটকে গেছি। হাজার চেষ্টা করেও এর থেকে বেরিয়ে আসতে পারছি না। এই রহস্যময় জগতে এখনো আমি বয়সে তরুণ, কয়েকদিন আগেই কৈশোরত্তীর্ণ হলাম। মন থেকে এখন ও সেটার পাদুর্ভাব যায় নি, তাই নিজের ভিতর আবেগ গুলো খুব বেশি পরিমাণে উপচিয়ে পড়তে চায়। এ জন্যে মাঝে মাঝে আকাশ মনে করি নিজেকে। কেন আকাশ মনে করি কারণ বলতে পারবো না! অসম্ভব কে সম্ভব ভেবে এক ধরনের রহস্যময় অসম্পূর্ণ ভালো লাগা বোধ অনুভব করি, আবার পরক্ষনে খুব খারাপ লাগে কারণ তা অসম্পূর্ণ ও অবাস্তব। এই সব ভাবনা গুলো এত বেশী আবেগ তাড়িত যা আমাকে সব নিয়ম নীতির ঊর্ধ্বে নিয়ে যায়। নিজের ভিতর অদ্ভুত এক অদৃশ্য সুখ অনুভব করি। তবে এর ব্যাপ্তি ক্ষণস্থায়ী হয়। যখন এই ঘোর কেটে যায় তখন বোধোদয় হয়, সব কিছুই অর্থহীন, অযৌক্তিক ও অযাচিত । কিন্তু এতসব কিছুর পরেও নিজের ভিতর শূন্যতা গুলো বারবার ডেকে আনে ঐসব অসম্পূর্ণ অনুভূতি গুলো।
রাত ১২ঃ ৩৭
০৯/০৪/২০১৯ ইং
মুক্তাগাছা ময়মনসিংহ
Sunday, April 7, 2019
প্রেম
মায়া ভরা মেয়ে
হৃদয় শুধু হৃদয় খুঁজে
মন খুঁজে মন,
আমি শুধু খুঁজে বেড়াই
অজানা দু'নয়ন।
কি যে মায়া রূপের ছায়া
নয়নেতে তোমার,
ঐ নয়নে না হারানোর
সাধ্য আছে কার ?
ঐ নয়নে সাগর আছে
আছে জলের ঢেউ,
সে জলেরই স্রোতে উঠতে মেতে
জানবে না তো কেউ?
হরিণ হরিণ নয়ন তোমার
কাজল বরণ রূপ,
পটল চেরা সে নয়নে
দিতে চাই গো ডুব।
০৯ : ৩৬
০৭/০৪/২০১৯ইং
মুক্তাগাছা ময়মনসিংহ
কল্পনায়
সুমাইয়্যাহ ইসলাম
নারায়নগঞ্জের মেয়ে
হৃদয় শুধু হৃদয় খুঁজে
মন খুঁজে মন,
আমি শুধু খুঁজে বেড়াই
অজানা দু'নয়ন।
কি যে মায়া রূপের ছায়া
নয়নেতে তোমার,
ঐ নয়নে না হারানোর
সাধ্য আছে কার ?
ঐ নয়নে সাগর আছে
আছে জলের ঢেউ,
সে জলেরই স্রোতে উঠতে মেতে
জানবে না তো কেউ?
হরিণ হরিণ নয়ন তোমার
কাজল বরণ রূপ,
পটল চেরা সে নয়নে
দিতে চাই গো ডুব।
০৯ : ৩৬
০৭/০৪/২০১৯ইং
মুক্তাগাছা ময়মনসিংহ
কল্পনায়
সুমাইয়্যাহ ইসলাম
নারায়নগঞ্জের মেয়ে
Friday, April 5, 2019
চিঠি
প্রিয় বাবা
চোখের সামনে সব সময় থাকছেন, দেখছি ভালো মন্দ মিলিয়েই আছেন, আজ সারাদিন হঠাৎ খুব বেশি আপনার কথা মনে হচ্ছে তাইতো লিখতে বসলাম এই চিঠি হয়তো আপনার কাছে পৌঁছবে না- তবু লিখছি লিখতে বসে হাতটা কাঁপছে। আর অশ্রুজলে ভরে যাচ্ছে নয়ন দুটি। অশ্রু-চোখে আর কাঁপা কাঁপা হাতে কি চিঠি লেখা যায় বলেন?! হয়তো কিছুদিন পর পড়ালেখার জন্য আবার দূর কোথাও চলে যাব এখনকার মতো চাইলেও পারবো না যখন তখন আপনাকে দেখতে। আজকে কাছে থেকে বাবার মর্যাদা বুঝে আপনাকে চিঠি লেখে ভালোবাসাটা প্রকাশ করতে পেরে পৃথীবির বুকে একটা যোগ্য সন্তান বলে নিজেকে পরিচয় দিতে ইচ্ছে হচ্ছে।
আপনার করা কঠিন শাসন গুলো এক সময় হয়তো করবেন না তাই আমাকে সবসময় পাঁচটি কথা মেনে চলতে বলতেন আপনার বলা কথা গুলো আমি সবসময় মেনে চলতে চেষ্টা করি/ করবো ইনশাআল্লাহ
১. কখনো মানুষকে ঠকাবি না
২. মাকে কোনদিন কষ্ট দিবি না
৩. পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ পরবি
৪. বাইক আস্তে ধীরে চালাবি
৫. মিথ্যা বলবি না
জানেন বাবা!
মাদ্রাসায় যখন থাকি তখন মা আর আপনার কথা খুব মনে পরে, মাদ্রাসায় থাকা অবস্থায় বিকেলে খেলা করতাম না , আবার অনেক সময় মনটা ফ্রেশ করার জন্যে খেলা করতাম। প্রায় প্রতিটা বিকেল একা নির্জনে থেকেছি আর যখন একা থাকতাম ভাবনায় আপনাদের পাশে রাখতাম মন ভালো হয়ে যেত। আর যখন পৃথিবীর বুক থেকে সূর্য বিদায় নিয়ে অন্ধকার করে দিত এই পৃথিবীকে তখন আপনাকে আরো বেশী মনে পড়তো। তখন ইচ্ছে থাকলেও জোরে কাঁদা সম্ভব না, তাই চুপচাপ আপনাকে চিৎকার দিয়ে বাবা বাবা বলে ডাকতাম আর চোখ থেকে অশ্রু ঝাড়াতাম। প্রতিটি সন্তান একদিন বাবা শূন্যতায় ভোগে। সবাই একদিন বাবার অকৃত্রিম ভালোবাসার স্পর্শ খুব বেশি মিস করে! আল্লাহ আপনাকে নেক হায়াত দান করুন ,,,,
প্রিয় বাবা,
মাঝে মধ্যে আপনার পরম স্নেহে আমার মাথায় হাত বুলিয়ে দিয়ে যখন বলতেন “তুমাকে অনেক পড়তে হবে, অনেক বড় হতে হবে, মানুষের মতো মানুষ হতে হবে”। আমি তখন অনেক বড় হওয়ার প্রেরণা খুঁজে পেতাম। প্রতিটি সন্তান প্রথম শিক্ষা গ্রহণ করে বাবার কাছ থেকে। আমারও প্রথম শিক্ষা আপনার কাছ থেকে। আপনি আপনার আদর্শে বড় করছেন আমাকে এটাই আমার সবচেয়ে বড় ভাগ্য অনেকে হয়তো এই সুযোগটা পায় নাহ। আর মার প্রতি ভালোবাসা রেখে একটি কথা বারবার বলতেন মার সাথে কখনো খারাপ আচরণ করবি না, কষ্ট দিবি না আজ পর্যন্ত কেউ মাকে কষ্ট দিয়ে বড় হয় নাই বেয়াদবি হবে এমন কথা কোনদিন বলবি নাহ, আপনি মাকেও খুব ভালোবাসতেন মা যেন আমার দ্বারা কোনদিন কষ্ট না পায় তাই বারবার সতর্ক করতেন।
বাবা,
আপনার কথাগুলো মনের মাঝে গেঁথে নিয়েছি। আপনি শুনে খুশি হবেন আমি আপনার আদর্শ মেনে চলি ও চলব ইনশাআল্লাহ
আমি ধন্য ও গর্বিত আপনার মতো বাবা পেয়ে।
সত্যি আপনি আমার শ্রেষ্ঠ বাবা। বাবা একটা কথা কখনো বলা হয় নাই
আমি আপনাকে অ-নে-ক ভালোবাসি বাবা ❤
০৫/০৪/২০১৯
মুক্তগাছা ময়মনসিংহ
চোখের সামনে সব সময় থাকছেন, দেখছি ভালো মন্দ মিলিয়েই আছেন, আজ সারাদিন হঠাৎ খুব বেশি আপনার কথা মনে হচ্ছে তাইতো লিখতে বসলাম এই চিঠি হয়তো আপনার কাছে পৌঁছবে না- তবু লিখছি লিখতে বসে হাতটা কাঁপছে। আর অশ্রুজলে ভরে যাচ্ছে নয়ন দুটি। অশ্রু-চোখে আর কাঁপা কাঁপা হাতে কি চিঠি লেখা যায় বলেন?! হয়তো কিছুদিন পর পড়ালেখার জন্য আবার দূর কোথাও চলে যাব এখনকার মতো চাইলেও পারবো না যখন তখন আপনাকে দেখতে। আজকে কাছে থেকে বাবার মর্যাদা বুঝে আপনাকে চিঠি লেখে ভালোবাসাটা প্রকাশ করতে পেরে পৃথীবির বুকে একটা যোগ্য সন্তান বলে নিজেকে পরিচয় দিতে ইচ্ছে হচ্ছে।
আপনার করা কঠিন শাসন গুলো এক সময় হয়তো করবেন না তাই আমাকে সবসময় পাঁচটি কথা মেনে চলতে বলতেন আপনার বলা কথা গুলো আমি সবসময় মেনে চলতে চেষ্টা করি/ করবো ইনশাআল্লাহ
১. কখনো মানুষকে ঠকাবি না
২. মাকে কোনদিন কষ্ট দিবি না
৩. পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ পরবি
৪. বাইক আস্তে ধীরে চালাবি
৫. মিথ্যা বলবি না
জানেন বাবা!
মাদ্রাসায় যখন থাকি তখন মা আর আপনার কথা খুব মনে পরে, মাদ্রাসায় থাকা অবস্থায় বিকেলে খেলা করতাম না , আবার অনেক সময় মনটা ফ্রেশ করার জন্যে খেলা করতাম। প্রায় প্রতিটা বিকেল একা নির্জনে থেকেছি আর যখন একা থাকতাম ভাবনায় আপনাদের পাশে রাখতাম মন ভালো হয়ে যেত। আর যখন পৃথিবীর বুক থেকে সূর্য বিদায় নিয়ে অন্ধকার করে দিত এই পৃথিবীকে তখন আপনাকে আরো বেশী মনে পড়তো। তখন ইচ্ছে থাকলেও জোরে কাঁদা সম্ভব না, তাই চুপচাপ আপনাকে চিৎকার দিয়ে বাবা বাবা বলে ডাকতাম আর চোখ থেকে অশ্রু ঝাড়াতাম। প্রতিটি সন্তান একদিন বাবা শূন্যতায় ভোগে। সবাই একদিন বাবার অকৃত্রিম ভালোবাসার স্পর্শ খুব বেশি মিস করে! আল্লাহ আপনাকে নেক হায়াত দান করুন ,,,,
প্রিয় বাবা,
মাঝে মধ্যে আপনার পরম স্নেহে আমার মাথায় হাত বুলিয়ে দিয়ে যখন বলতেন “তুমাকে অনেক পড়তে হবে, অনেক বড় হতে হবে, মানুষের মতো মানুষ হতে হবে”। আমি তখন অনেক বড় হওয়ার প্রেরণা খুঁজে পেতাম। প্রতিটি সন্তান প্রথম শিক্ষা গ্রহণ করে বাবার কাছ থেকে। আমারও প্রথম শিক্ষা আপনার কাছ থেকে। আপনি আপনার আদর্শে বড় করছেন আমাকে এটাই আমার সবচেয়ে বড় ভাগ্য অনেকে হয়তো এই সুযোগটা পায় নাহ। আর মার প্রতি ভালোবাসা রেখে একটি কথা বারবার বলতেন মার সাথে কখনো খারাপ আচরণ করবি না, কষ্ট দিবি না আজ পর্যন্ত কেউ মাকে কষ্ট দিয়ে বড় হয় নাই বেয়াদবি হবে এমন কথা কোনদিন বলবি নাহ, আপনি মাকেও খুব ভালোবাসতেন মা যেন আমার দ্বারা কোনদিন কষ্ট না পায় তাই বারবার সতর্ক করতেন।
বাবা,
আপনার কথাগুলো মনের মাঝে গেঁথে নিয়েছি। আপনি শুনে খুশি হবেন আমি আপনার আদর্শ মেনে চলি ও চলব ইনশাআল্লাহ
আমি ধন্য ও গর্বিত আপনার মতো বাবা পেয়ে।
সত্যি আপনি আমার শ্রেষ্ঠ বাবা। বাবা একটা কথা কখনো বলা হয় নাই
আমি আপনাকে অ-নে-ক ভালোবাসি বাবা ❤
০৫/০৪/২০১৯
মুক্তগাছা ময়মনসিংহ
Monday, April 1, 2019
কল্পিত কথা ৫
শান্ত শিষ্ট মনটা হঠাৎ করে কেন যেন বেকে বসে আছে। ঠিক যেন ধনুকের মতো আঁকা বাঁকা। বর্তমানে আঁকা বাকা মনের গতি প্রকৃতি। কেন? কেন জানি! তা আমার জানার প্রয়োজন নেই। জানি না কেন এই পরিবর্তন। হঠা? না হঠাৎ নয়, মনে হচ্ছে মনের মধ্যে জমে থাকা এক ভয়ংকর ভুত মেঘ বৃষ্টি ঝরাতে শুরু করছে। সেই ভয়ানক ভুত বৃষ্টি ঝরচ্ছে মেঘের ফাঁক গলে গলে তার নিজস্ব মলিনতায় মত। এ এক বৃষ্টি নয়, ঝড়া পাতার মিথ্যা অভিনয়। যা অভিনয় করা প্রাণীদের মতো!!!
২২/১১/২০১৮ ইং
পৌরসভা কফি হাউস
মুক্তাগাছা
অনুভব
জীবনের শেষ দিন পর্যন্ত আমি তোমাতে হারিয়ে ছিলাম বলে এখনো নি:শ্বাসে আমার গন্ধ পাও!!!
আমাকে অনুভব করে ফেরো যখন তখন। আমি মানা করি নাহ। ভালোবাসার কোল ঘেসে চাদর মুরি দিয়ে এখন একাকিত্তে খোঁজো আমায় কিন্তু কি লাভ বলো??
আঁধারের সঙ্গী হয়ে যাও, সুখে থাকবে,,,,,
আঁধার রাতের কালো অন্ধকারে উড়িয়ে দিয়েছি
তোমার-আমার ভালোবাসা,,,,,
আর শোন!
ভাঁজ করে রেখো বইয়ের পাতায়
অনুভব করা আমার স্পর্শ
০৫/২/২০১৯ ইং
ময়মনসিংহ
কল্পিত কথা ৩
- কী করছ একা একা একা ?
- হয়তো করো জন্যে অপেক্ষা ।
- এই মিথ্যে কেন হু? আমার আসার কথাতো তুমি একেবারেই জানতে নাহ ।
- মানুষও তো জানে না যে, মাঝে তার কখন মিলন মেলে। তবুও মানুষই সেই খোঁজ রাখে ।
- বুঝলাম তুমি আঁধার ।
- সূর্য হয়ে জ্বলেছিলাম কিন্তু পরে নিভে যেতে হল যে !
- থাক সে কথা । তারপর বলো কেমন আছ ?
- শেষের কবিতার মত।
গল্প
বেঁচে থাকুক ভালোবাসা
তানিয়ার সাথে আমার বিয়ে বেশ কিছুদিন হল। তানিয়ার আচার-আচরণে আমি খুবই মুগ্ধ! ভালো ঘরের একটা মেয়ে সে,পরিবারের পছন্দেই বিয়েটা হয়েছে। পরিবার বলতে, মা ছাড়া আমার কেউ নেই ! বাবা মারা গেছেন প্রায় তিন বছর!
খেয়াল করেছি, বিয়ের পর থেকেই মেয়েটা খুব ভালোবাসে আমাকে। অফিস থেকে আসার পর থেকে পরদিন অফিসে যাওয়া পর্যন্ত খুব কেয়ার করে আমাকে। আর ছুটির দিন হলেই ঘুরতে নিয়ে যাও! তখন আমার মনে হচ্ছিল "My life is full of Surprise is" আমার খুব স্পষ্ট ভাবে মনে পরে, যেমনটা আমি দেখেছিলাম মা- বাবাকে। ঠিক same একটা life যেন আমার। সেই ছোট হতে আজ পর্যন্ত মা- বাবার মতো এমন ভালোবাসা দেখেছি বলে মনে হয় না! কোনোদিন ভাবিনি আমিও মার মতো এমন একটা লক্ষী মেয়েকে জীবন সঙ্গী হিসেবে পাবো। বিয়ের আগ মুহুর্ত পর্যন্ত সব সময় ভয় পেতাম, আর বন্ধুদের প্যারা তো আছেই!
= মামা, বিয়েটা করে নাও! টের পাবা কতো ধানে কতো চাল!!!
আমিও ভাবতাম কেমন না কেমন একটা মেয়েকে পাব আল্লাহ ভালো জানেন। শয়তানগুলো আরো ভয় দেখিয়ে দিত। কিন্তু শয়তানগুলোর বলা আর আমার চিন্তা ধারা করা বউয়ের মতো কোন বউ হয়নি। হয়েছে একটা লক্ষী বউ।এই যুগের মেয়েদের যা অবস্থা! তবে মাশাআল্লাহ মার মতোই একটা বউ পেয়েছি। শুকরিয়া। ভালোই কাটছিল দিনগুলো ।
কিন্তু হঠাৎ! বিয়ের কিছুদিন পর দেখি মা রুমে একা একা বসে কান্না করে,আর আমি বেশ কিছু দিন ধরে দেখছি তানিয়াও একা একা বসে থাকে সব সময়,আচ্ছা তানিয়া কি মার সাথে খারাপ behave করলো নাকি? মার সাথে কি তানিয়ার কিছু হয়েছে? তানিয়া কি মাকে কিছু বলেছে! খারাপ আচরণ করেছে! না, তানিয়া এই টাইপের মেয়ে না।অামার যতটুকু ধারণা।কারণ মানুষের কিছু কিছু চরিত্র,অভ্যাস, অচরণ মুখে ভেসে উঠে। তা দ্বারা স্পষ্ট বুঝা যায় তানিয়া এই টাইপের মেয়ে না। তানিয়া লাজুক তাই সে কিছু বলে না। মা ঔষধ খেয়েছেন, খাবার ঠিক ঠাক আছে তো, এক কথায় একজন মার যতটুকু দায়িত্ব ঠিক ততোটুকুই সে করে আসছে। তানিয়া মার কাছে বৌমা না, মেয়ে হিসাবে থাকতে চায়। আচ্ছা, মার কি তানিয়াকে পছন্দ হয়নি, কিছু বুঝতে পারছি না, থাক বিষয়টা পরে দেখা যাবে।
কিছুদিন পর তানিয়া এই একই বিষয়টা দেখলো মা বসে বসে কান্না করে। কি হয়েছে, মাকে এখন কিছু বলবো না! থাক বলবো না!! আচ্ছা আমার কোন আচরণে মা কি কষ্ট পাচ্ছে, বুঝলাম না! কিছুদিন পর একসাথে সবাই ডিনারে বসলাম, আমি মাকে জিজ্ঞেস করলাম মা তোমার কী কিছু হয়েছে? শরীর কি খারাপ ? ডাক্তার দেখাবো? (মা এক কথায় বললেন) না বাবা আমি ঠিক আছি। কিছুক্ষণ পর আমি আর তানিয়া খেয়াল করলাম, মা নিচ দিকে চেয়ে আছে মাথা উঠাচ্ছে না,তার সাথে খাবারও খাচ্ছে না। আমি আর তানিয়া বিষয়টা খেয়াল করলাম। হঠাৎ দেখি মা কান্না করছে, অামি তানিয়ার আর তানিয়া আমার দিকে চেয়ে আছে।
মা, কি হয়েছে তোমার ? কি হয়েছে? তোমার কি কোন সমস্যা? আমি এই বিষয়টা আরো আগে থেকেই খেয়াল করেছি! তুমি ইদানিং একা একা বসে বসে কান্না করছো। কি হয়েছে খুলে বলো তো!!!
বাবা তোদের ভালোবাসা দেখে তোর বাড়ার কথা, স্মৃতি, আর ভালোবাসাগুলো খুউব মনে পরে। তাই আমি কান্না করি। খুব অস্থির লাগে। ইদানিং তোর বাবাকে খুব স্বপ্নেও দেখছি।
বাবা, কাল একটু তোর বাবার কবরে নিয়ে যাবি?
কবরটা যিয়ারত করবো!!!!
এমন করেই পৃথিবীর সবাই জীবনসঙ্গীদের বিদায় দিবে সবাই।
আর স্মৃতিগুলো ভালোবাসাতে জড়িয়ে থাকবে।
বেঁচে থাকুক আজীবন এই ভালোবাসাগুলো,,,,,
তানিয়ার সাথে আমার বিয়ে বেশ কিছুদিন হল। তানিয়ার আচার-আচরণে আমি খুবই মুগ্ধ! ভালো ঘরের একটা মেয়ে সে,পরিবারের পছন্দেই বিয়েটা হয়েছে। পরিবার বলতে, মা ছাড়া আমার কেউ নেই ! বাবা মারা গেছেন প্রায় তিন বছর!
খেয়াল করেছি, বিয়ের পর থেকেই মেয়েটা খুব ভালোবাসে আমাকে। অফিস থেকে আসার পর থেকে পরদিন অফিসে যাওয়া পর্যন্ত খুব কেয়ার করে আমাকে। আর ছুটির দিন হলেই ঘুরতে নিয়ে যাও! তখন আমার মনে হচ্ছিল "My life is full of Surprise is" আমার খুব স্পষ্ট ভাবে মনে পরে, যেমনটা আমি দেখেছিলাম মা- বাবাকে। ঠিক same একটা life যেন আমার। সেই ছোট হতে আজ পর্যন্ত মা- বাবার মতো এমন ভালোবাসা দেখেছি বলে মনে হয় না! কোনোদিন ভাবিনি আমিও মার মতো এমন একটা লক্ষী মেয়েকে জীবন সঙ্গী হিসেবে পাবো। বিয়ের আগ মুহুর্ত পর্যন্ত সব সময় ভয় পেতাম, আর বন্ধুদের প্যারা তো আছেই!
= মামা, বিয়েটা করে নাও! টের পাবা কতো ধানে কতো চাল!!!
আমিও ভাবতাম কেমন না কেমন একটা মেয়েকে পাব আল্লাহ ভালো জানেন। শয়তানগুলো আরো ভয় দেখিয়ে দিত। কিন্তু শয়তানগুলোর বলা আর আমার চিন্তা ধারা করা বউয়ের মতো কোন বউ হয়নি। হয়েছে একটা লক্ষী বউ।এই যুগের মেয়েদের যা অবস্থা! তবে মাশাআল্লাহ মার মতোই একটা বউ পেয়েছি। শুকরিয়া। ভালোই কাটছিল দিনগুলো ।
কিন্তু হঠাৎ! বিয়ের কিছুদিন পর দেখি মা রুমে একা একা বসে কান্না করে,আর আমি বেশ কিছু দিন ধরে দেখছি তানিয়াও একা একা বসে থাকে সব সময়,আচ্ছা তানিয়া কি মার সাথে খারাপ behave করলো নাকি? মার সাথে কি তানিয়ার কিছু হয়েছে? তানিয়া কি মাকে কিছু বলেছে! খারাপ আচরণ করেছে! না, তানিয়া এই টাইপের মেয়ে না।অামার যতটুকু ধারণা।কারণ মানুষের কিছু কিছু চরিত্র,অভ্যাস, অচরণ মুখে ভেসে উঠে। তা দ্বারা স্পষ্ট বুঝা যায় তানিয়া এই টাইপের মেয়ে না। তানিয়া লাজুক তাই সে কিছু বলে না। মা ঔষধ খেয়েছেন, খাবার ঠিক ঠাক আছে তো, এক কথায় একজন মার যতটুকু দায়িত্ব ঠিক ততোটুকুই সে করে আসছে। তানিয়া মার কাছে বৌমা না, মেয়ে হিসাবে থাকতে চায়। আচ্ছা, মার কি তানিয়াকে পছন্দ হয়নি, কিছু বুঝতে পারছি না, থাক বিষয়টা পরে দেখা যাবে।
কিছুদিন পর তানিয়া এই একই বিষয়টা দেখলো মা বসে বসে কান্না করে। কি হয়েছে, মাকে এখন কিছু বলবো না! থাক বলবো না!! আচ্ছা আমার কোন আচরণে মা কি কষ্ট পাচ্ছে, বুঝলাম না! কিছুদিন পর একসাথে সবাই ডিনারে বসলাম, আমি মাকে জিজ্ঞেস করলাম মা তোমার কী কিছু হয়েছে? শরীর কি খারাপ ? ডাক্তার দেখাবো? (মা এক কথায় বললেন) না বাবা আমি ঠিক আছি। কিছুক্ষণ পর আমি আর তানিয়া খেয়াল করলাম, মা নিচ দিকে চেয়ে আছে মাথা উঠাচ্ছে না,তার সাথে খাবারও খাচ্ছে না। আমি আর তানিয়া বিষয়টা খেয়াল করলাম। হঠাৎ দেখি মা কান্না করছে, অামি তানিয়ার আর তানিয়া আমার দিকে চেয়ে আছে।
মা, কি হয়েছে তোমার ? কি হয়েছে? তোমার কি কোন সমস্যা? আমি এই বিষয়টা আরো আগে থেকেই খেয়াল করেছি! তুমি ইদানিং একা একা বসে বসে কান্না করছো। কি হয়েছে খুলে বলো তো!!!
বাবা তোদের ভালোবাসা দেখে তোর বাড়ার কথা, স্মৃতি, আর ভালোবাসাগুলো খুউব মনে পরে। তাই আমি কান্না করি। খুব অস্থির লাগে। ইদানিং তোর বাবাকে খুব স্বপ্নেও দেখছি।
বাবা, কাল একটু তোর বাবার কবরে নিয়ে যাবি?
কবরটা যিয়ারত করবো!!!!
এমন করেই পৃথিবীর সবাই জীবনসঙ্গীদের বিদায় দিবে সবাই।
আর স্মৃতিগুলো ভালোবাসাতে জড়িয়ে থাকবে।
বেঁচে থাকুক আজীবন এই ভালোবাসাগুলো,,,,,
ছড়া
বিশ্ব জয়ের ছেলে
আরিফুল ইসলাম মুকিম
বিশ্ব জয়ের ছেলে আমি
বিশ্বকে জয় করি,
বিশ্বের দিকে চেয়ে আমি
জ্ঞান আহরণ করি।
দেশ হলো মোর পূণ্যভূমি
দেশের জন্যেে শিখি,
দেশের জন্যে শিখে যেন
বিশ্বকে জয় করি।
ইলম শিখার ছেলে আমি
মাদরাসাতে পড়ি,
ইলম শিখে যেন আমি
বেহেশত জয় করি।
বসন্ত
শীতকাল শেষ অনেক দিন। বেশ কিছুদিন যাবত বসন্তের আগমন হয়েছে। শীতের হাড় কাঁপানো দিন গুলোও বেশ ভালো লাগতো । এখন চারপাশে বইছে বসন্তের মাতাল হাওয়া। প্রতিটি মুহুর্তে ভিন্ন ভিন্ন অনুভূতি জন্ম নিচ্ছে। এই বসন্তে যাতটুকু অনুভূতি জন্ম নিচ্ছে অন্তরে তা অন্য কোন বসন্তে জন্ম নেয়নি আর এদিকে অভিমান করে ঝরে পরছে চার দিকের বৃক্ষরাজির পুরোনো পাতা। সাথে কৃষ্ণচূড়ার ডালে রং লেগেছে ফাগুনের। ভালোবাসার রং। প্রতিটি গাছে বসন্তের কোকিলের কু-হু কু-হু শব্দ করে গান চলছে । এসব মিলে প্রকৃতির মাঝে ধরা দিয়েছে ঋতুরাজ বসন্ত। যদিও পূরণ হয়নি তবুও শেষ বিকেলের সব থেকে বড় ইচ্ছে ছিলো বিকেল বেলা বড় একটা বট গাছের নিচে বসে সময় পার করতে, পারলে হয়তো ভালোই হতো যেখানে বসলেই প্রাণের মাঝে দোল খেয়ে যেত অচিনপুরের অজানা ভালোবাসার রহস্য
বসন্ত!
সত্যিই তোমার বিদায়ের সাথে সাথে আমার জীবনেরও সমস্ত স্বপ্ন, আনন্দ, ভালোলাগা, ভালোবাসার বিদায় ঘটে যাবে হয়তো। সত্যিই আজ বড্ড একা আমি!
ভালো থেকো তুমি,,,,,,,,,
২৭/০৩/২০১৯ ইং
Subscribe to:
Posts (Atom)
কোন এক বিকেল
মাঝে মাঝে রৌদ্রুহীন এই বৃষ্টির বিকেলে হারিয়ে যাই নিরবতার মাঝে, অসহায় হয়ে যাই একাকিত্বের ক্লান্তিতে হতাশার চাদর জড়িয়ে ধরে আমাকে। বিকেলের...
-
আবার ভালবাসা খালাতো বোনের বিয়ে ঠিক হয়েছে। বাসার সবার এক দাবি বিয়ের অন্তত ৩ দিন আগে আমার বিয়ে বাড়ি উপস্থিত থাকতে হবে। অনেক বোঝালা...
-
বেঁচে থাকুক ভালোবাসা তানিয়ার সাথে আমার বিয়ে বেশ কিছুদিন হল। তানিয়ার আচার-আচরণে আমি খুবই মুগ্ধ! ভালো ঘরের একটা মেয়ে সে,পরিবারের পছন্দেই...
-
নিজেকে খুব স্বার্থপর মনে হচ্ছে। তোমার ইচ্ছার বিরুদ্ধে , তোমাকে ভালবাসছি না তো ? আমাকে ভালবাসতে তোমাকে বাধ্য করছি না তো ??? কেন এমন হয় ? ...

